দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে মাগুরার হাটগুলোতে ততই গবাদি পশুর আমদানি বাড়ছে। তবে কৃতিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় ছোট জাতের দেশি গরুর সরবরাহ বেশি। পাশাপাশি সল্প দামে দেশি গরু কিনতে ও বিক্রি করতে পেরে খুশি ক্রেতা ও বিক্রিতারা।
শনিবার (২৩ মে) মাগুরা সদর উপজেলা রামনগর পশুর হাটে গবাদি পশু আসতে শুরু করে সকাল থেকে। জেলায় ছোট বড় খামার থেকে গবাদি পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা।
তবে এখনও কেনা-বেচার হিড়িক পড়েনি, ক্রেতার তুলনায় পশু বেশি লক্ষণীয়। অনেকেই হাটে এসেছেন পছন্দের পশুটি ঘুরে ঘুরে দেখছেন আর দর দাম করছে। পছন্দ হলে কিনে নিয়ে যাবে বলে জেনেছি।
মাগুরা জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সুত্র বলছেন, জেলা কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৫ হাজার ৫০৮টি। সেখানে জেলা উৎপাদন হয়েছে ৭৬ হাজার ৯৭৩টি। জেলা খামারি সংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৩টি। সেখানে বাড়তি ১৪ হাজার কোরবানির পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে সরবরাহ করা হবে।
বিক্রেতারা মোহন বিশ্বাস বলেন, ‘রামনগর হাটে ক্রেতার থেকে গরুর বেশি। এখনও আমরা লসে আছি গরু বেচা বিক্রি শুরু হয়নি। শেষ সময় বেচা বিক্রি ভালো হবে এমন প্রত্যাশা।’
খামারিরা রহমান মিয়া বলেন, ‘অনেক যত্মে লালন পালন করা গবাদি পশু ৫টি নিয়ে আসছিলাম, ১টি বিক্রি করেছি। গরুটি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে বড়ো গরুর ছেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি ক্রেতাদের।’
ক্রেতা মো. সোহান খান বলেন, ‘হাটে ঘুরে ঘুরে পশু দেখছি, আর দর দাম করছি। পছন্দ হলে কিনে নিয়ে যাবো। তবে কোরবানির পশুর হাটে বড়ো গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি লক্ষ করছি।’
পশুর হাট ইজারাদার মো. দুলাল হোসেন বলেন, ‘পশুহাট খ্যাত মাগুরা রামনগর পশুহাট বিখ্যাত নামের তালিকায় উঠেছে। আমরা চেষ্টা করছি হাটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য আমরা তৎপর আছি।’
কেএম